জিজ্ঞাসা-১২৫৩৪:
আসসালামু আলাইকুম।
ইহলোকে পড়া বিড়ি সিগারেট তথ্য ধুমপানের বর্ণনা সম্পর্কে জানতে চাই।
তারিখ : ১১/০৪/২৩ ঈসায়ী / ইংরেজি _ _ _
হাফেজ মাওলানা শামসুল আলম, ঢাকা থেকে
حق : وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
نحمده ونصل على رسوله الكريم اما بعد بسم الله الرحمن الرحيم
তাসলিম ও হামদ - সানার পর প্রথম কথা , এ বিষয়ে শায়েখ ইবনে বাজরহ কে বড় করা হলে, তিনি ব্যক্তিতে বলেন,
شرب الدخان ما يجوز، وفيه مضار كثيرة، لا يجوز شربه، لا في الحج، ولا في غيره، يجب تركه، ولكن شربه بالحج وفي العمرة لا يبطل العمرة، لكن نقص، نقص في الثواب، وإلا الحج صحيح، والعمرة صحيحة، ولوان الدخان، لكن الواجب ترك التدخين، كما يجب ترك شرب المسكرات والمخدرات، يجب على المؤمن أن يحذر المخدرات والمسكرات والتدخين جميعًا؛ لأن الله حرم ذلك، نعم...
অর্থ ধূমপান করা জায়েজ নেই এবং এতে অনেক ক্ষতি রয়েছে। এটি পান করা জায়েয নয়, হজ্জের সময়ও নয়,অন্য কোন সময়ে নয়।তাকে অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হবে,কিন্তু হজ্জ ও ওমরার সময় তা পান করলে ওমরাহ বাতিল হবে না।ধূমপান, কিন্তু ধূমপান ত্যাগ করা যেমন ওয়াজিব, তেমনি নেশা ও নেশাজাতীয় দ্রব্য পান বন্ধ করা ওয়াজিব।মুমিনকে অবশ্যই মাদক, নেশা ও ধূমপান থেকে সাবধান থাকতে হবে; কারণ আল্লাহ তাআলা নিষেধ করেছেন। সূত্র: তাতবিকু মাউসুআতুল ফাতাওয়াল বাজিয়া, শায়েখ ইবনে বাজ রহ এর ওয়েব সাইট থেকে প্রাপ্ত
সারকথা হলো, ইহরাম অবস্থায় ধূমপান করলে ইহরাম যদিও ভাঙবে না তবে হজ-ওমরার পরিপূর্ণ ফজিলত-ফায়দা থেকে অবশ্যই সে মাহরম হবে। দলিল:
Surah Al-Baqara, Verse 197:
الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَاتٌ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجّ
হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার পক্ষে স্ত্রীও সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়। না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়। সূরা বাকারা-১৯৭
حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا سَيَّارٌ أَبُو الْحَكَمِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ حَجَّ لِلَّهِ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ رَجَعَ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ ".
আদম (রাহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ্জ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে নবজাতক শিশু, যাকে তাঁর মা এ মুহূর্তেই প্রসব করেছে, তার ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে ফিরবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩১ (আন্তর্জাতিক নং ১৫২১)
শেষ কথা হলো, ইহরাম অবস্থা ধূমপান করা, ফুসুক তথা অশুভনীয় কাজের অন্তর্ভুক্ত, যা হজের বরকত থেকে, হজ্জে মাবরুর থেকে অবশ্যই সে মহরুম হবে।
والله اعلم بالصواب
উত্তর প্রদান , মুফতি মুহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক,
সহযোগিতায়, মুফতি আসাদুল ইসলাম তানয়িম
0 Comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন